একটি ওয়েবসাইটের কাঠামো কেমন হওয়া উচিত তা দেখতে ক্লিক করুন এখানে
Home/WordPress / একটি ওয়েবসাইটের কাঠামো কেমন হওয়া উচিত তা দেখতে ক্লিক করুন এখানে
একটি ওয়েবসাইটের কাঠামো কেমন হওয়া উচিত তা দেখতে ক্লিক করুন এখানে
আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের মাঝে নতুন একটি ট্রিক শেয়ার করব। সেটি হচ্ছে একটি ওয়েবসাইটের জন্য ওয়েবসাইটের কাঠামো কিরূপ হওয়া দরকার। সেটাই আজ আমি আপনাদেরকে বলতে যাচ্ছি। তো চলুন দেরী না করে মূল কথায় চলে যাই। আমি এর আগে অনেকগুলো পোস্ট করেছি ওয়েবসাইট এবং প্রোগ্রামিং নিয়ে। তাই আজ আমি নতুন একটি আর্টিকেল নিয়ে চলে আসলাম।আমরা সবাই জানি যে ওয়েবসাইট বানাতে অনেক কিছুর দরকার হয়। ওয়েবসাইট বানানোর জন্য প্রোগ্রাম এনকোডিং ডোমেইন-হোষ্টিং ইত্যাদি বিষয়গুলো প্রয়োজন হয়। কিন্তু শুধু শুধু একটি ওয়েবসাইট বানালেই হবে না। একটি ওয়েবসাইট বানাতে হলে এর কাঠামো কিরূপ হওয়া দরকার সেটি জানা খুবই প্রয়োজন। তো চলুন আগে জেনে নিই ওয়েবসাইটের কাঠামো কি।গুলো কিভাবে সাজানো থাকবে অর্থাৎ একটি ওয়েবসাইটের ওয়েবপেইজের উপস্থাপন বিন্যাস পদ্ধতিকে ওয়েবসাইটের কাঠামো বলা হয়ে থাকে। একটি ওয়েবসাইটকে ইউজার বা ব্যবহার-বান্ধব করার জন্য কতগুলো বিষয় জানা প্রয়োজন। তাই এদেরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। যেমন coffee cup, HTML Editor, front page, web wizard ইত্যাদি। এছাড়া ওয়েব পেইজকে সুন্দর করার জন্য আরও বিভিন্ন এনিমেশন এর প্রয়োজন। তার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার রয়েছে যেমন macro media dream weaver, flash, micro media fire work ১. দ্রুত প্রদর্শনী ডাউনলোড: একটি ওয়েব পেজ যাতে দ্রুত ব্রাউজার প্রদর্শিত হতে পারে এবং ডাউনলোড করতে সময় কম লাগে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।এক্ষেত্রে প্রয়োজনের অতিরিক্ত ছবি এনিমেশন জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ এতে লোড হতে প্রচুর সময় ব্যয় করে। ২. ব্রাউজার এর মানানসই রেজুলেশন: ভিজিটররা যে ব্রাউজার ব্যবহার করে ওয়েব পেজটি কে দেখবে সেই ব্রাউজার মানানসই হতে হবে।এছাড়া কিছু ভিজিটর আছেন যারা মোবাইল ফোনের সাহায্যে ব্রাউজ করে থাকেন। ৩. মনোযোগ আকর্ষণ: ওয়েবপেজ এভাবে ডিজাইন করা উচিত যাতে ভিজিটরদের মনোযোগ আকর্ষণ করে। এক্ষেত্রে মনে রাখা উচিত ভিজিটররা বিভিন্ন বয়সের বিভিন্ন পেশার হয়ে থাকে। ৪. ইমেজ ও গ্রাফিক্স: প্রয়োজনমতো আকর্ষণী ইমেজ ব্যবহার করা উচিত। অতিরিক্ত বর্ণনা ভিত্তিক টেক্সট অনেকের কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে। সেজন্য টেক্সট এর পাশাপাশি ছবি ব্যবহার করা উচিত। ৫. ওয়েব পেইজ লেন্থ: ওয়েব পেজের একটি পেইজ এর দৈর্ঘ্য বেশি না হয় ভালো। এতে ভিজিটররা ওই পেইজ করতে গিয়ে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। অনেক ভিজিটররা ওই পেজটি ডাউনলোড করতে চান না। ৬. ডিজাইন ও কালার এর ব্যবহার: ডিজাইন কালার এর সঠিক ব্যবহার একটি পেজকে সত্যিকারের আকর্ষণীয় করে তুলতে পারেন। ডিজাইনের ক্ষেত্রে দুই বা তিনটি প্রধান রং ব্যবহার করা যেতে পারে। ফন্ট এর স্টাইল অতিরিক্ত পরিবর্তন না করাই ভালো। লিংকিং পেজগুলো সংযোগ লেখা অন্য রঙের দেওয়া উচিত। যাতে ভিজিটরের সহজে বুঝতে পারে যে ঐ লেখাতে ক্লিক করলে অন্য একটি পেইজ আসবে। ৭. কন্টেন্ট টেক্সট: একটি ওয়েব পেজের অভ্যন্তরস্থ লেখা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই অংশের টেক্সট খোলার লক্ষ্য রাখতে হবে যে টেক্সটি যথেষ্ট পরিমাণে তথ্যবহুল হয়ে থাকে। সাধারণত প্রতি লাইনে 15 থেকে ২০ টি শব্দ থাকলে পড়তে সুবিধা হয়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *