[img=11702]

[img=11965]
ভূগোল ::
মঙ্গলের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, মঙ্গলের পাহাড়সমূহের তালিকা এবং মঙ্গলের আগ্নেয় জ্বালামুখসমূহের তালিকা
পৃথিবীর প্রথম অ্যারোগ্রাফার হিসেবে
যাদের নাম করা হয় তারা
হলেন Johann Heinrich Mädler
এবং ভিলহেল্ম বিয়ার, যদিও
কেবল চাঁদের মানচিত্র
প্রণয়ন করার কারণেই তারা
সবচেয়ে স্মরণীয় হয়ে আছেন। তারা প্রথম বুঝতে পেরেছিলেন যে, মঙ্গলের
প্রায় সকল কাঠামোই স্থায়ী। এর সাথে গ্রহটির ঘূর্ণনকালও নির্ণয় করেন।
১৮৪০ সালে Mädler তার ১০
বছরের গবেষণা একত্রিত
করে মঙ্গলের প্রথম মানচিত্র
প্রণয়ন করেন। মানচিত্রে
বিভিন্ন স্থানকে নাম দ্বারা চিহ্নিত না করে
ববয়ার এবং Mädler কেবল
বিভিন্ন বর্ণ দিয়ে চিহ্নিত
করেছিলেন। সে হিসেবে
বর্তমানে মেরিডিয়ান উপসাগর (Sinus Meridiani) নামে পরিচিত কাঠামোটির জন্য a বর্ণটি নির্দিষ্ট করা হয়েছিল।
বর্তমানে মঙ্গলের বিভিন্ন প্রাকৃতিক কাঠামোসমূহের নাম বিভিন্ন মানদণ্ডের
ভিত্তিতে রাখা হয়েছে। যে সকল কাঠামোসমূহের উচ্চ প্রতিফলন অনুপাত রয়েছে তাদের অধিকাংশেরই নাম
পূর্বেরটি রয়ে গেছে। অবশ্য
বেশ কিছু নামের বিভিন্ন
দিক দিয়ে উন্নয়ন ঘটানো
হয়েছে যাতে পরে আবিষ্কৃত
বিভিন্ন বিষয় নামের মাধ্যমেই বোঝা যায়।
যেমন:
নিক্স অলিম্পিকা (অলিম্পাসের তুষার) নামক পর্বতটির আধুনিক নাম হচ্ছে
অলিম্পাস মন্স (অলিম্পাস পর্বত)। মঙ্গলের বিষুবরেখা এর ঘূর্ণন
বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি
করেই নির্দিষ্ট করা হয়েছে,
কিন্তু এর মূল মধ্যরেখা নির্দিষ্ট করা হয়েছে
পৃথিবীর মত করেই। অর্থাৎ
বিজ্ঞানীরা একটি নির্দিষ্ট স্থানের উপর
দিয়ে রেখাটি নিয়ে গেছেন। পৃথিবীতে যেমন
গ্রিনিচ নামক স্থানকে নির্দিষ্ট করা হয়েছে।
Mädler ও বিয়ার ১৮৩০ সালে
তাদের প্রণীত প্রথম মানচিত্রে মঙ্গলের মূল
মধ্যরেখা হিসেবে একটি রেখাকে চিহ্নিত
করেছিলেন। ১৯৭২ সালে মেরিনাস ৯ মহাকাশযান মঙ্গলের বেশ কিছু উচ্চ
রিজল্যুশনের ছবি পাঠায়।
এগুলো থেকে দেখা যায়
মঙ্গলের সাইনাস মেরিডিয়ানি নামক
সাগরের (তরল পানির সাগর
নয়) উপর এয়ারি-০ নামক
একটি আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ রয়েছে।
পরবর্তীতে এই জ্বালামুখটিই
০.০° অক্ষাংশে রয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। এই জ্বালামুখটি এর আগে
নির্বাচিত মূল মধ্যরেখার
উপর অবস্থিত। অর্থাৎ পৃথিবীর যেমন
গ্রিনিচ মঙ্গলের তেমনি এয়ারি-০।
মঙ্গলে যেহেতু কোন মহাসাগর বা সমুদ্র নেই
সেহেতু সেখানকার বিভিন্ন
উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য একটি
শূন্য-উচ্চতার পৃষ্ঠতল ধরে
নিতে হবে যাকে অনেক সময়
গড় অভিকর্ষীয় পৃষ্ঠ বলা হয়।
মঙ্গলের যে উচ্চতায়
বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পরিমাণ
৬১০.৫ প্যাসকেল (৬.১০৫
মিলিবার) সে উচ্চতাকে
শূন্য উচ্চতা ধরা হয়। এই
চাপের পরিমাণ মঙ্গলে
পানির ত্রৈধ বিন্দুর চাপের
সমান। এই চাপ পৃথিবীতে
সমুদ্র পৃষ্ঠের বায়ুমণ্ডলীয় চাপের ০.৬%।
জীবন ::
মঙ্গল গ্রহে জীবন বর্তমান গবেষণায় এটি
প্রতীয়মান হয়েছে যে, গ্রহীয় বাসযোগ্যতা তথা একটি গ্রহে প্রাণের বিকাশ
ঘটার সম্ভবনার পরিমাণ
বহুলাংশে এর পৃষ্ঠতলে
পানির অস্তিত্বের উপর
নির্ভর করে। এই শর্তটি পূর্ণ
করার জন্য গ্রহটিকে অবশ্যই
বাসযোগ্য অঞ্চলে থাকতে
হবে। বর্তমানে সূর্যের
বাসযোগ্য অঞ্চলের ভিতর
পৃথিবী অবস্থান করছে।
কিন্তু মঙ্গল গ্রহ এই অঞ্চল
থেকে মাত্র অর্ধেক
জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক একক
দূরে অবস্থিত। এ কারণে এর
পৃষ্ঠতলের সব পানি জমে যায়
এরকম ধারণা পূর্বে থাকলেও
২৮শে সেপ্টেম্বর ২০১৫ তে ,
নাসা তাদের ওয়েবসাইটে
ঘোষণা দেয় মঙ্গলে তরল
পানি প্রবাহের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
[img=11703]

81 views

About Author (41)

Author

{নিজে যা জানি তা অপরকে জানানোর চেষ্টা করি,,,কারন, পরোপকারই পরম ধর্ম } { I Love "ILoveYoubd"} http://javaappstore.Wapkiz.Com

4 thoughts on “জেনে নিন মঙ্গল গ্রহ সম্পর্কে অজানা সকল তথ্য। পর্ব – (৩)”

  1. পোস্ট ভালো।।
    কিন্তু এখানে তো আপনি শুধু ভুগোল আর জীবন সম্পর্কে বলেছেন আরো অনেক তথ্য দেননি। তাই আপনার পোস্ট এর টাইটেল পালটানো উচিত।

  2. ভাই আমিতো ধারাবাহিক ভাবে পোষ্ট দিচ্ছে। *এখানে আমি পোষ্ট করেছি মঙ্গল গ্রহের জীবন ও ভৌগলিক অবস্হা নিয়ে। *বুঝছেন।

Leave a Reply