বিশ্ব পরিচিতি ,জেনে নিন AMERICA মহাদেশ সম্পর্কে কিছু কথা যা আপনার কাজে লাগলেও লাগতে পারে [ না দেখলে মিস ]

Education Guideline

বিশ্ব পরিচিতি ,জেনে নিন America মহাদেশ সম্পর্কে কিছু কথা যা আপনার কাজে লাগলেও লাগতে পারে [ না দেখলে মিস ]
[h1]আসসালামু আলাইকুম [/h1]

বন্ধুরা আশা করি ভালো আছ ।আমিও ভালো আছি ।আমি এই সাইটে নতুন তাই ভুল ক্রটি হলে ক্ষমা করে দিবেন ।আজকে আমরা জানব AMERICA মহাদেশ সম্পর্কে কিছু কথা ।বিস্তারিত পোষ্ট :-

[h1]উত্তর আমেরিকা মহাদেশ।[/h1]

উত্তর আমেরিকা পৃথিবীর
উত্তর ও পশ্চিম গোলার্ধে
অবস্থিত একটি মহাদেশ। একে
কখনো কখনো আমেরিকার
উত্তর উপমহাদেশও ধরা হয়।

মহাদেশটি উত্তরে উত্তর
মহাসাগর, পূর্বে আটলান্টিক
মহাসাগর, দক্ষিণে ও পশ্চিমে
প্রশান্ত মহাসাগর, এবং
দক্ষিণ-পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকা
এবং ক্যারিবীয়ান সাগর
পরিবেষ্টিত।

উত্তর আমেরিকা আয়তন
২,৪৭,০৯,০০০ কিমি ২(৯৫,৪০,০০০ মা ) জনসংখ্যা ৫৬৫,২৬৫,০০০
(২০১৩,৪র্থ)জনঘনত্ব ২২২.৯/কিমি(৫৯.৩/বর্গ
[note ১]মাইল)জিডিপি(নমিনাল) $২০.৩ট্রিলিয়ন(২০১৩,২য়)জিডিপি(পিপিপি) $২০.৯ট্রিলিয়ন
(২০১৩, ২য়)

[h1]অধিবাসীদের নাম [/h1]

উত্তর আমেরিকান দেশসমূহ ২৩ (দেশসমূহের তালিকা) অধীনস্থ অঞ্চলসমূহ ২২

ভাষাসমূহ ইংরেজি,স্পেনীয়,ফরাসি, এবং
আরো অন্যান্য সময়
অঞ্চলসমূহ ইউটিসি-১০থেকে
ইউটিসি বৃহত্তম শহরসমূহ জনসংখ্যা অনুসারে উত্তর
আমেরিকার শহরের তালিকা
মেক্সিকো সিটি নউ ইয়র্ক
লস অ্যাঞ্জেলেস টরোন্টো
শিকাগো হিউস্টন হাভানা
গুয়াদালাজারা মন্ট্রিঅল
ফিলাডেলফিয়া

উত্তর আমেরিকার আয়তন
২৪,৭০৯,০০০ বর্গ কি.মি.
(৯,৫৪০,০০০ বর্গ মাইল), যা
পৃথিবীপৃষ্ঠের প্রায় ৪.৮% এবং
ভূ-পৃষ্ঠের ১৬.৫%।

২০০৭ সালে
এই মহাদেশে প্রাক্কলিত
জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৫২ কোটি।

আয়তনের দিক থেকে উত্তর আমেরিকা এশিয়া ও আফ্রিকার পরে ৩য় বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার বিচারে এশিয়া,
আফ্রিকা ও ইউরোপের পরে
৪র্থ বৃহত্তম মহাদেশ।

২০১৩ সালের আদমশুমারিঅনুসারে, নিকটবর্তীক্যারিবীয়দ্বীপাঞ্চলসহ উত্তর আমেরিকার জনসংখ্যা ছিল ৫৬৫ মিলিয়ন। অন্যভাবে বলা যায় পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার
শতকরা ৭.৫ ভাগ।

সর্বশেষ বরফ যুগের সময়
বেরিং ভূসেতু অতিক্রম করে
উত্তর আমেরিকাতে প্রথম
মানব বসতি শুরু হয়। তথা-কথিত প্রত্ন-ভারতীয় যুগের সমাপ্তি হয়, প্রায় ১০,০০০ বছর পূর্বে মধ্য-ভারতীয় যুগের শুরুতে।

ধ্রুপদী যুগ ৬ষ্ঠ শতাব্দী থেকে১৩তম শতাব্দী পর্যন্ত স্হায়ীহয়েছিল।

প্রাক-কলাম্বীয় যুগের
সমাপ্তি ঘটে ইউরোপীয়দের
আগমনের সাথে সাথে,
আবিষ্কার যুগ এবং আধুনিক
যুগের শুরুতে। বর্তমান যুগের
সাস্কৃতিক ও জাতিগত বিন্যাসে
ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক,
আদিবাসী আমেরিকান,
আফ্রিকান দাস এবং তাদের
বংশধরদের প্রভাব বিদ্যমান।
তন্মধ্যে মহাদেশটির উত্তরাংশে
ইউরোপীয় প্রভাব এবং
দক্ষিণাংশে আদিবাসী
আমেরিকান ও আফ্রিকান
প্রভাব সুস্পষ্ট। ঔপনিবেশিক
শাসনের প্রভাবে অধিকাংশ
উত্তর আমেরিকানরা মূলত
ইংরেজি, স্পেনীয় এবং ফরাসি
ভাষায় কথা বলে। তাছাড়া
সেখানকার সমাজ এবং রাষ্ট্র
ব্যবস্থাগুলো সাধারণত
পাশ্চাত্য সংস্কৃতিকে
প্রতিফলিত করে।

[h1]বুৎপত্তি[/h1]

১৬২১ সালের উত্তর আমেরিকার মানচিত্র।
জার্মান মানচিত্রবিদ মার্টিন
ওয়াল্ডসিমুলার এবং ম্যাথিয়াস
রিংম্যান, ইতালীয় পরিব্রাজক
আমিরিগো ভেসপুচ্চির
নামানুসারে এই অঞ্চলটির
নামকরণ করেন
দ্যা আমেরিকাস । ভেসপুচ্চি ১৯৪৭ এবং ১৫০২ সালের কোন এক সময়ে দক্ষিণ আমেরিকা পরিভ্রমণ করেন, তিনি ছিলেন প্রথম ইউরোপিয়ান পরিব্রাজক
যিনি আমেরিকা এসেছিল। তার
মতে, আমেরিকা,ওয়েস্ট ইন্ডিজ
এ নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র
ভূমি যেটি ইউরোপিয়ানদের
কাছে অজানা ছিল। ১৫০৭ সালে,ওয়াল্ডসিমুলার প্রদত্ত
পৃথিবীর মানচিত্রে তিনি বর্তমানদক্ষিণ আমেরিকার ব্রাজিলঅংশটিকে সর্বপ্রথম
“আমেরিকা” নামকরণ করেন।

তিনি তার কসমোগ্রাফি
ইনট্রোডাকটো বইয়ে এই
নামকরণের কারণ যুক্তিপূর্ণ
ব্যাখ্যা সহ বর্ণনা করেন
এভাবে:
… এবি আমেরিকো
ইনভেন্টোরি … কুয়েশি
আমেরিকি সিভআমেরিকাম (অর্থঃপরিব্রাজক্আমেরিকাস হতেবর্ণিত .. এটি ছিল
আমেরিকাসের ভূমি,
নাম আমেরিকা।)।

ওয়াল্ডসিমুলারের নামকরণের
পর এটা নিয়ে আর কেউ আপত্তিজানায়নি। যদিও তিনি
ভেসপুচ্চির ল্যাটিন নামানুসারে
(আমেরিকাস ভেসপুচ্চিয়াস),
নামকরণ করেছিলেন তথাপি
ইউরোপা, এশিয়া এবং
আফ্রিকার মতো স্ত্রীবাচক
নামকরণ করে আমেরিকা নামে
বদলে ফেলা হয়।

পরবর্তিতে অন্যান্য
মানচিত্রবিদরা উত্তরের শেষ
বিন্দু পর্যন্ত মহাদেশের নাম
আমেরিকা প্রদান করে। ১৫৩৮
সালে,জেরার্ড মার্কেটোর তার
প্রণিত মানচিত্রে পৃথিবীর
পশ্চিম গোলার্ধের পুরোটাকেই
আমেরিকা নামে চিহ্নিত করেন ।

আমেরিকার নামকরণ নিয়ে কিছুটা বিতর্ক রয়েছে। অনেকের মতে আমেরিকার নামকরণ আমেরিগো ভেসপুচ্চির নামানুসারে হয়েছে, যদিও এই তত্ত্বে অনেকে বিশ্বাসী নয় ।

১৯৪৯ সালে, রিকার্ডো পাল্মাএকটি ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন,মধ্য আমেরিকার আমেরিক পর্বতমালা এবং দক্ষিণ আমেরিকা উভয়য়েরই
আবিস্কারক ভেসপু্চ্চি যা কিনা

ক্রিস্টোফার কলোম্বাস এরআবিস্কারের সাথে মিলে গেছে।
আলফ্রেড ই. হুডের ১৯০৮
সালের তত্ত্ব মতে-
মহাদেশগুলোর নামকরণ করা হয় রিচার্ড আমরিক নামের এক ব্রিস্টলের অধিবাসী বণিকের নামানুসারে, কেননা তিনি ১৪৯৭
সালে জন কবেট এর ইংল্যান্ড
থেকে নতুন এলাকা আবিস্কারের
প্রকল্পে অর্থায়ন করেন।

[h1]VISIT OUR SITE==[url=http://twicebd.xyz]TWICEBD.XYZ[/url][/h1]

Please wait...

Leave a Reply