জেনে নিন জয়তুন তেলের উপকারিতা এবং এর গুনাগুণ সম্পর্কে

Featured

জয়তুন একটি বরকতয় ফল।
কেননা, আল্লাহ তা‘আলা
সূরা তীন-এ যায়তুনের কসম
খেয়েছেন। আল্লার রাসূল
সাল্লাল্লাহু আলাইহি
যায়তুন
ওয়াসাল্লাম এই তেল
খেতে ও মালিশ করতে
বলেছেন।
প্রিয় নবীজী বলেন:
ﺍﻮﻨﻫﺩﺍﻭ ﺖﻳﺰﻟﺍ ﺍﻮﻠﻛ
ﺓﺮﺠﺷ ﻦﻣ ﻪﻧﺈﻓ ﻪﺑ
ﺔﻛﺭﺎﺒﻣ
‘তোমরা যায়তুনের তেল
খাও এবং এর দ্বারা
মালিশ কর বা শরীরে
মাখ। কেননা, তা বরকতময়
গাছ থেকে
আসে।’ (তিরমিযী,
আহমাদ, ইমাম আলবানী
হাদীসটি সহীহ বলেছেন)
জলপাই তেল বা Olive Oil-এ
রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ
উপাদান, যেগুলো
(আল্লাহর অনুগ্রহে)
আমাদের শরীরকে সুস্থ
এবং সুন্দর রাখে।
গবেষকরা দেখিয়েছেন:
১. খাবারে জলপাইয়ের
তেল ব্যবহারের ফলে
শরীরের খারাপ
কোলেস্টেরল এবং ভাল
কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ হয়

২. জলপাই তেলের
আরেকটা গুণাবলি হল এটা
পাকস্থলীর জন্য খুব
ভালো।
৩. শরীরের এসিড কমায়।
৪. যকৃৎ (Liver) পরিষ্কার
করে, যেটা প্রতিটি
মানুষের ২/৩ দিনে একবার
করে দরকার হয়।
৫. কোষ্ঠকাঠিন্য
রোগীদের জন্য দিনে ১
চামচ (1 spoon) জলপাই তেল
অনেক অনেক উপকারী।
৬. সাধারণত সন্তান
হওয়ার পর মহিলাদের
পেটে সাদা রঙের স্থায়ী
দাগ পড়ে যায় । গর্ভধারণ
করার পর থেকেই পেটে
জলপাই তেল (Olive Oil)
মাখলে কোন জন্মদাগ পড়ে
না। এটা একটা পরীক্ষিত
ব্যাপার।
৭. জলপাই
তেল গায়ে
মাখলে বয়স
বাড়ার
সাথে
ত্বক
কুঁচকানো
প্রতিরোধ
হয় ।
৮.
গবেষকরা
২.৫
কোটি
(25 million)
লোকজনের উপর গবেষণা
করে দেখিয়েছেন,
প্রতিদিন ২ চামচ কুমারী
জলপাই তেল (Virgin Olive Oil)
১ সপ্তাহ ধরে খেলে
ক্ষতিকর এলডিএল (LDL)
কোলেস্টেরল কমায় এবং
উপকারী এইচডিএল (HDL)
কোলেস্টেরল বাড়ায়।
৯. স্প্যানিশ (Spanish)
গবেষকরা দেখিয়েছেন,
খাবারে জলপাই তেল
ব্যবহার করলে কলন
ক্যান্সার (Colon cancer )
প্রতিরোধ হয়।
১০. আরও কিছু গবেষক
দেখিয়েছেন, এটা
ব্যথানাশক (Pain Killer)
হিসাবে কাজ করে।
১১. গোসলের পানিতে ১/৪
চামচ ব্যবহার করে গোসল
করলে শরীরে শিথিলতা
পাওয়া যায়।
১২. মেয়েদের রূপ বর্ধনের
জন্য এটা অনেকটা
কার্যকর।
ইসলামে যায়তুন তথা
জলপাই তেলের গুরুত্ব
দেয়া হয়েছে। আল্লাহর
রাসূল (সা.) বলেছেন,
‘তোমরা এই তেলটি খাও,
তা শরীরে মাখাও।’ [আবু
হুরাইরা (রা.) হতে
তিরমিযী ও ইবনে মাজাহ
বর্ণনা করছেন । ইবনে
মাজাহ, হাদিস নং-৩৩২০ ।
সনদ সহীহ]
এছাড়া জলপাই তেল যে
কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়, তা
ইবনুল কাইয়িম তার “The
Medicine of the Prophet (sm.)”
বইয়ে তা স্পষ্টভাবে
উল্লেখ করেছেন ।
বাজারে কয়েক ধরনের
জলপাইয়ের তেল পাওয়া
যায়। যেমন:
১.
Extra virgin – এটা প্রথম
ধাপ। সরাসরি জলপাই ফল
থেকে তৈরি। এসিডিটি
১% এর নিচে। রান্নার জন্য
বা সালাদে গবেষকরা
এটি প্রস্তাব করেন।
২.
Virgin – Extra virgin পরের
ধাপ এটা। এতে এসিডের
পরিমাণ ১ থেকে ২%
থাকে।
৩.
Refine Pure – ৩য় ধাপ।
এতে এসিডের পরিমাণ ৩
থেকে ৪%।

Leave a Reply