image
আসসালামু আলাইকুম সকল প্রশংসা মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের জন্য যিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন সৃষ্টি করেছেন এই পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন আসমান জমিন চন্দ্র সূর্য নক্ষত্র তারকা সৃষ্টি করেছেন জান্নাত জাহান্নাম আর আমাদের জন্য দিয়েছেন নাড়া নিয়ম কারন মানুষ শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ ও জিন জাতির জন্য আল্লাহ রাব্বুল আলামিন জান্নাত জাহান্নাম দিয়েছেন।

আমাদের  জন্য দিয়েছেন নানা নিয়ম আমরা মানব জাতি এই নিয়ম মানলে পাব জান্নাত আর না মানিলে জাহান্নামের আজাব।

আজকে আমি আলোচনা করব আল্লাহ রাব্বুল আলামিন এর প্রিয় হওয়ার জন্য কিছু ভালো কাজ ও মন্দ কাজ নিয়ে যা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাহার উম্মতদেরকে নির্দেশ করেছেন

আমরা তা মানবো ও যা নিষেধ করেছেন তা থেকে নিজেকে বিরত রাখব।।

হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কিছু হাদিস সবাই মন দিয়ে পড়বেন এবং তা পালন করার চেষ্টা করবেন।।

হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) এর বাণী

হাদীসঃ হযরত আনাস (রা) হতে বর্ণিত : “কোন বান্দা সে পর্যন্ত মুমিন হতে পারবে না যে পর্যন্ত না আমি তার নিকট তাহার পরিবার-পরিজন ধন-সম্পদ ও অন্যান্য সব মানুষের তুলনায় অধিক প্রিয় হবো।”
(সহীহ মুসলিম, হাদিস নং- 74)

হাদীস :: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা:) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সা:) ইরশাদ করেন: মুসলিম সেই যার হাত ও জিব্বা হতে অপর মুসলমান নিরাপত থাকে।”
(সহীহ বুখারি, হাদিস নং 9)

হাদীস:: হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা:) বলেন: “যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি এবং পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার উচিত- উত্তম কথা বলা অথবা চুপ থাকা। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার উচিত প্রতিবেশীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ও পরকালের প্রতি বিশ্বাস রাখে তার উচিত মেহমানদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।
(সহীহ মুসলিম, হাদিস নং 79)

কিছু মারাত্মক মন্দ কাজ

হাদিস:: হযরত আবু যর (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা:) কে বলতে শুনেছেন,”ব্যক্তি জেনেশুনে নিজের পিতার পরিবর্তে অন্য কাউকে পিতা বানানো, সে কুফরী করল। যে কুফরী করলো। আর যে ব্যক্তি এমন কোন কিছুর দাবি করে, যা সে নয়, সে আমার দলের নয় বরং সে যেন তার ঠিকানা দোযখে বানিয়ে নেয়। আর সে কেউ কাউকে কাফের বলে সম্মোধন করে বা আল্লাহর শত্রু বলে ডাকে, যদি সম্মোধন কিত ব্যক্তি তদ্রূপ না হয়,তাহলে ঐ কুফরি সম্মোধনকারীর প্রতি আবর্তিত হবে ( অর্থাৎ এতে সে নিজে কাফের হয়ে যাবে)
(সহীহ মুসলিম হাদিস নং 121)

হাদিস:: হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা:) ইরশাদ করেন:”মুসলমানকে গালি দেওয়া গুনাহের কাজ এবং তার সাথে লড়াই করা কুফরী কাজ।”
(সহীহ মুসলিম, হাদিস নং 125)

হাদিস:: হযরত আবু হুরায়রা (রা) হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেন! অযথা ধারণা করা হতে বেঁচে থাকো। কেননা, ধারনা সবচেয়ে বড় মিথ্যা।”
(সহীহ বুখারী ও সহিহ মুসলিম)

হাদিস:: হযরত আবু জার গিফারী রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:”তিন ব্যক্তির সাথে কিয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলা কথা বলবেন না, তাদের দিকে দৃষ্টিপাত করবেন না এবং তাদেরকে প্রবিত্র করবেন না। আর তাদের জন্য রয়েছে ভীষণ আজাব। রিয়াজ কারী বলেন, আবু যর রাদিয়াল্লাহু তা’আলা আনহু বলেন,! ইয়া রাসুলুল্লাহ! তারা কারা! তিনি বললেন, তারা হল-“যে ব্যক্তি টাখনুর নিচে কাপড় ঝুলিয়ে পড়ে, যে ব্যক্তি দান করে খোটা দেয় এবং যে ব্যক্তি মিথ্যা শপথ করে মাল বিক্রি করে।
(সহীহ মুসলিম, হাদীস নং 195)


উপরের সকল হাদিস গুলো আপনারা অবশ্যই মানার চেষ্টা করবেন সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন আল্লাহ হাফেজ

One thought on “রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী ( দ্বিতীয় পর্ব )”

Leave a Reply