আসসালামু আলাইকুম।

আশা করি সবাই ভালো আছেন আল্লাহর রহমতে আমিও ভালো আছি।।

[color=blue]কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে শরীরে দেখা দিতে পারে নানা সমস্যা। পাশাপাশি হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের
মতো কার্ডিওভাস্কুলার রোগ হওয়ার ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।[/color]

[img=12296]

[h2]আসুন জেনে নেই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে যে খাবারগুলো-[/h2]

১.কমলার জুস:- টকমিষ্টি
স্বাদের কমলার রস
কোলেস্টেরল কমানোর
অত্যন্ত উপকারী। কমলার রস হাইপারকোলেস্টেরোলে মিয়া রক্তের লিপিড প্রোফাইলের উন্নতি ঘটায়।
এর কারণ হচ্ছে কমলার
রসে ভিটামিন সি,ফোলেট
এবং হেসপিরিডিন এর মত
ফ্লেভনয়েড থাকে।

২.গ্রিনটি:-প্রতিদিন কয়েক কাপ গ্রিনটি পান করা সার্বিক কোলেস্টেরল এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর একটি সহজ উপায়। গ্রিনটি এর বিভিন্ন
উপাদান পরিপাক নালীতে
কোলেস্টেরলের শোষণ প্রতিহত করে এবং রেচনে
সাহায্য করে। এছাড়াও
গ্রিনটি ধমনীতে প্লাক জমা প্রতিহত করে এবং হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।।

৩.ওটমিল:- সকালের নাস্তায় ওটমিল খাওয়া
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।ওটমিলের দ্রবণীয় ফাইবার
কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।এটি রক্তস্রোতে কোলেস্টেরলের শোষণ কমায়। এছাড়াও নিয়মিত ওটমিল খেলে কার্ডিওভাস্কুলার ডিজিজ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে।

৪.কাঠবাদাম:- হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী মনো আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট,পলি আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং ফাইবার থাকে কাঠবাদামে,যা ভালো
কোলেস্টেরল এইচ ডি এল এর মাত্রা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়

কাঠবাদামের মত গাছের বাদাম খাওয়া এল ডি এল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে সাহায্য করে।
এর ফলে করোনারী
ডিজিজ হওয়ার ঝুঁকি ৩ থেকে ৯ শতাংশ কমে।

আশা করি পোষ্টটি সবার ভালো লাগবে।সবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন।আর বেশি বেশি করে iloveyoubd এ ভিজিট করুন।ধন্যবাদ

6 views

About Author (4)

Leave a Reply