লম্বা হওয়া এখন আরো সহজ!!!অল্প কয়েক টি ব্যায়াম এর মাধ্যমে।

LifeStyle

বেশী পরিমাণ ক্যালরি,
প্রোটিন, খনিজ
পদার্থ এবং প্রচুর পরিমাণে
ভিটামিন
খাদ্যাভ্যাস যা আপনার নতুন
কোষ এবং হাড়
নির্মাণ ‘উপকরণ’ এবং
সেলের গঠন নির্মাণে
সহায়তা করবে। এছাড়াও
দিনে আট ঘন্টা ঘুম
আপনার বৃলম্বা হওয়ার
ক্ষমতা বাড়াতে আরো
সহায়তা করবে। এখন ব্যাপার
হল আপনি দিনে
আট ঘন্টা কেন ষোল ঘন্টা
ঘুমান তারপর
আবার পরিমাণ মত খাবারও
খান এর পর
যথাযথ লম্বা হচ্ছেন না বা
আপনি তার উপর
সন্তুষ্ট না।
তাই এবার আপনাদেরকে
দেখানো হবে
কিভাবে আপনি আপনার
শরীরের ৯৯% উচ্চতা
বৃদ্ধি করবেন। আসলে এটি
একটি প্রক্রিয়া
যা আপনি আপনার সর্বাধিক
সম্ভাব্য লম্বা
হতে সাহায্য করবে।
এই উপাদান কী?
আপনার উচ্চতা বাড়ার মূল
উপাদান হল একটি
পদার্থ যা আমাদের শরীরের
প্রাকৃতিকভাবে
সৃষ্ট এবং এটাকে বলা হয়
মানুষের গ্রোথ
হরমোন। এটি একটি হরমোন
যে আপনার
শরীরের উৎপাদন (ভালো
টেসটোসটের এবং
ইস্ট্রজেন)
শুধু তাই নয় উচ্চতা বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে অত্যন্ত
কার্যকরী – এই
বায়োকেমিক্যাল রসূল যার
মাধ্যমে আপনি লম্বা হন, এটি
আপনার
শরীরের হাড় বৃদ্ধির জন্য
প্রয়োজনীয় এবং
আপনার কোষ প্রয়োজনিও
সেল গুলিকে
দ্রুততর বিভক্ত করে। এটা
1920 এর মধ্যে প্রথম
আবিষ্কৃত হয় এবং এর উচ্চতা
বৃদ্ধির
উপকারিতা শুধুমাত্র
সম্প্রতি আবিষ্কৃত
হয়েছে।
আপনি কি জানেন যে দ্রুত
বড় হওয়া শিশুদের
হরমোন স্বাভাবিক বড় হওয়া
শিশুদের থেকে
খুব উচ্চ স্তরের আছে। তাই,
এখানে
আপনাদেরকে বলা হবে
কিভাবে আপনি
আপনার হরমোনকে সেই
স্তরে নিয়ে যাবেন
যা আপনার পরিপূর্ণ লম্বার
জন্য সহায়ক।
হরমোনের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি
সংক্রান্ত
মাত্রা পদ্ধতি খুব কার্যকর,
বৈজ্ঞানিকভাবেও
প্রমাণিত যে এটি সম্পূর্ণ
নিরাপদ।
লম্বা হোন ৮ টি সহজ ও
স্বাভাবিক উপায়েঃ
১. লম্বা হওয়ার এই বৃদ্ধি
পদ্ধতিটি সবচেয়ে
কার্যকর উপায়। এই পদ্ধতিতে
ইঞ্জেকশন
দ্বারা মানবদেহে হরমোন
বৃদ্ধি করা হয়,
কিন্তু এটি সম্পূর্ণ বেআইনি
যার কারণে
একজন ডাক্তার কখনই
আপনাকে এরকম কিছু
প্রেস্ক্রাইব করবে না, এবং
এটি খুবই ব্যয়বহুল
যার কারণে এটি সাজেশন
করা উচিত হবে
না।
২. দুধ পান আপনাকে লম্বা
হওয়ায় অনেক
সাহায্য করবে কারণ
ক্যালসিয়াম আপনার
শরীররের হাড়ের বৃদ্ধি
ঘটায়। আরেকটা
ব্যাপার যা আমাদের দেশে
নেই সেটা হল
আমেরিকায় তাদের গরুর
মধ্যে বিভিন্ন
হরমোন ইনজেকশন দেওয়া হয়
যার মাধ্যমে –
হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি হয়
এবং সেই
প্রকিয়াজাতকরণ দুধ হয়
সাধারণ দুধ এর
বিকল্প।
চুল দ্রুত ঘন, কালো ও লম্বা
করার ৪টি ঘরোয়া
পদ্ধতি
৩. নিয়মিত কিছু নির্দিষ্ট
ব্যায়াম (ওজন
উদ্ধরণ) হরমোন (HGH) বৃদ্ধি
করে। এটি বৃদ্ধি
সংক্রান্ত হরমোনের
মাত্রা আরও উন্নত
করার জন্য বহুল পরিচিত এবং
পদ্ধতি খুবই
কার্যকর। আর অতিরিক্ত
পেশী আপনাকে
আরো সাহয্য করবে
আকর্ষণীয় চেহারার
অধিকারী হতে।
৪. তীব্র sprinting ব্যায়াম
মানব বৃদ্ধির
হরমোনে একটি বিস্ফোরণ
ঘটায় এছাড়াও
আপনার হরমোনকে আরও
উন্নত করে। আসলে
যে কোনো কঠিন শারীরিক
ব্যায়াম
আপনাকে লম্বাটে হতে
সাহায্য করবে। তবে
অবশ্যই সেটা ২১ বছর বয়স
হওয়ার পর।
৫. Niacin supplementation : Niacin
একটি
প্রাকৃতিক ভিটামিন নামক
ভিটামিন B3।
একটি গবেষণা থেকে জানা
যায়, ৫০০গ্রাম
নিয়াসিন নেওয়া মানুষের
থেকে সাধারণ
মানুষের বৃদ্ধি কম ঘটে।
৬.মানসিক চাপ কমান :
স্ট্রেস বা মানসিক
চাপ যা হচ্ছে আপনার লম্বায়
বৃদ্ধি হওয়ার
ক্ষেত্রে একটি বাঁধা।
যাতে আপনার
হরমোনের মাত্রা কমে যায়
এবং করটিসল
উত্পাদিত হয়। ভিটামিন C
সম্পূরকসমূহ যা
করটিসল কমাতে জোর
সহায়তা করে।
৮. ঘুম : কমপক্ষে ৮ ঘন্টা
ঘমানো । এটি
সবচেয়ে সহজ এবং অনেক
কার্যকরী উপায়।
সঠিক এবং সুন্দর ভাবে
ঘোমানো আপনার
দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি
মাত্রা আরো
বাড়িয়ে তোলে।
তবে আপনাকে উচ্চতার
বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছু
জিনিস এড়িয়ে চলতে হবে।
ড্রাগ এবং
অ্যালকোহল এই ২টিই আপনার
বৃদ্ধির
ক্ষেত্রে অনেক বড় বাঁধা।
ধূমপান যেমন
স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর
তেমনি দেহের
হরমোন গঠনও কমিয়ে ফেলে।
লম্বা চুল পেতে ব্যবহার করুন
কলা ও কমলার
হেয়ার প্যাক
লম্বা হওয়ার আরো কিছু
ইপায় জেনে নিন
০১. উচ্চতা বৃদ্দি করেত সুষম
খাদ্য গ্রহণ করা :
এক জন লোক অনেক খাটো
দেখায় যদি তার
শরীর ফাঁপা থাকে। তাই
ফিট থাকতে হয়
সঠিক খাবার খেয়ে।
– প্রচুর পরিমাণে লীন
প্রোটিন খেতে হবে।
যেমন সাদা ফার্মের মুরগীর
মাংস, মাছ ও
দুগ্ধজাত খাবারে প্রচুর লীন
প্রোটিন থাকে।
যা পেশী গঠনে সাহায্য
করে ও হাড্ডির ক্ষত
পূরণ করে।
– কার্বোহাইড্রেট খেতে
হবে প্রচুর
পরিমাণে। যেমন – ভাত, আলু,
কেক ইত্যাদি।
অতিরিক্ত মিষ্টি ও সোডা
থেকে দূরে
থাকুন।
– প্রচুর ক্যালসিয়াম খান যা
সবুজ
শাকসবজীতে পাওয়া যায়।
দুধ, দই -এ প্রচুর
ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়।
– যথেষ্ট পরিমাণে জিংক
থেতে হবে।
জিংক পাওয়া যায় কুমড়া,
ওয়েস্টার ও গম, ও
চিনাবাদামে।
– ভিটামিন ডি খেতে হবে
পর্যাপ্ত
পরিমাণে। এটি পেশী ও
হাড্ডি গঠনে
ভূমিকা পালন করে। এর
অভাবে শিশুদের
গ্রোথ ক্ষতিগ্রস্থ হয় এবং
তরুণীদের ওজন
বাড়ে। মাছে, মাশরুমে ও
সূর্যের আলোতে
পাওয়া যায় ভিটামিন ডি।
০২. লম্বা হতে ব্যায়াম :
তরুণরা বিশেষ করে
বয়ঃসন্ধি কালে হাইট
বাড়ানোর ব্যায়াম করে।
লাফান, যেমন –
দড়ি লাফান, সাঁতার কাটুন,
সাইকেল চালান,
প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০
মিনিট। জিমে জয়েন
করুন পারলে। খেলাধুলা করুন।
০৩. লম্বায় বৃদ্ধি হতে ঘুম :
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান
প্রতিদিন। ঘুমের
সময় শরীর বাড়ে। তাই
পর্যাপ্ত ঘুমালে শরীর
লম্বা হওয়ার মতো সময় পায়।
কমপক্ষে ৮
থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমান যদি
আপনার বয়স ২০ এর
কম হয়। শরীরের হরমোন
গভীর ঘুম এর সময়
উত্পন্ন হয়। পিটুইটারী
গ্লান্ড থেকে গ্রোথ
হরমোন বের হতে সাহায্য
করে।
গ্রোথ যেসব কারণে
প্রভাবিত হয় তা পরিহার
করার চেষ্টাকরুন। আপনার
ন্যাচারাল হাইট
যাতে পরিবেশ গত কারণে
না কমে তার
চেষ্টা করবেন। এলকোহল বা
স্মোকিং করা
যাবেনা। এগুলো কম বয়সে
খাওয়া উচিত্ নয়।
যারা অপুষ্টিতে ভোগেন
তাদের
স্বাভাবিকের তুলনায়
বেশি খাটো দেখায়।
যারা একটু খাটো তারা
সোজা হয়ে থাকার
চেষ্টা করবেন সব সময়। কুঁজো
হয়ে হাঁটবেন
না। ঘাড়টা একটু পেছনে
বাঁকিয়ে সোজা হয়ে
হাঁটার অভ্যেস করুন। এতে
কিছুটা লম্বা
লাগবে। একটু টাইট কাপড়
পরার চেষ্টা
করবেন। নিজেকে চিকন
দেখাতে পারলে
কিছুটা লম্বা লাগবে। ডার্ক
রঙের ড্রেস
যেমন – কালো, নীল, সবুজ
পরার চেষ্টা
করবেন। মেয়েরা বাইরে
গেলে হাইহিল
পরবেন।
এছাড়া ডাক্তারের সাথে
যোগাযোগ করতে
পারেন, যদি দেখেন যে
আপনার সন্তানের
সঠিক গ্রোথ হচ্ছেনা।
ডাক্তার রা অনেক
রকম টিট্টমেন্ট দিয়ে
থাকেন। গ্রোথ হরমোন
থেরাপি ছোট বেলায় নিলে
কিছুটা উপকার
পাওয়া যায়। তাই আপনার
শিশুর সঠিক গ্রোথ
হচ্ছে কিনা তা জানতে
একজন শিশু
বিশেষজ্ঞের সাথে
যোগাযোগ রাখুন।
চুল লম্বা করার কিছু টিপস
কিছু ব্যায়াম :
ছোট বেলা থেকে এ ব্যায়াম
গুলো নিয়মিত
করা ভালো। তবে দেখা
যায় আমরা অনেকে
ব্যায়াম করি টানা ১সপ্তাহ,
অতিরিক্ত করে
অল্প সময়ে ফল পেতে চাই।
এটা ঠিক না।
অল্প অল্প করে প্রতি দিন
ব্যায়াম করা
উচিত্। আর যেকোন ব্যায়াম
করার আগে
ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া
উচিত্। আর
ব্যায়াম করার আগে শরীর
গরম করে নেয়া
উচিত। নিচে কয়েকটি সহজ
ব্যায়ামের উপায়
দেয়া হলো।
০১. মেঝেতে উপুর হয়ে শুয়ে
পড়ুন। এবার
হাতের তালুর উপর ভর দিয়ে
শরীরের উপরের
অংশটি আস্তে আস্তে তুলুন।
মেরুদন্ড বাঁকা
করে মাথাটা পেছনের
দিকে যতটা পারা
যায় বাঁকান।
০২. হাঁটু ভাঁজ করে, হাতের
তালু ও হাঁটুতে ভর
দিয়ে বিড়ালের মত হোন।
মাথা উপরের
দিকে বাঁকিয়ে পিঠ নিচের
দিকে বাঁকিয়ে
নিন। এরপর মাথা নিচু করে
মেরুদন্ড বা পিঠ
উপরের দিকে বাঁকা করুন। ৮
সেকেন্ড পর
এভাবে কয়েক বার করুন।
০৩. মেঝেতে বসুন। দু পা
দুদিকে ছড়িয়ে দিন।
এরপর ডান হাঁটু তে নাক
লাগানোর চেষ্টা
করুন, হাঁটু ভাঁজ না করে যতটা
পারা যায়। ৮
সেকেন্ড থাকুন এভাবে।
এরপর বা পায়ে একই
ভাবে করুন।
০৪. উপুর হয়ে শুয়ে পড়ুন। এরপর
হাতের তালু ও
পায়ের পাতার উপর ভর
দিয়ে শরীরটি উপর
দিকে বাঁকিয়ে উঁচু করে
তুলে ধরুন মাথা
নিচে রেখে। এভাবে ৮
সেকেন্ড থাকুন।
০৫. মেঝেতে সোজা হয়ে
শুয়ে পড়ুন। হাটু ভাঁজ
করে পায়ের গোড়ালী
নিতম্বের কাছে নিয়ে
আসুন। এরপর গোড়ালী হাত
দিয়ে ধরুন। এরপর
কোমড় সহ নিতম্ব উপরের
দিকে উঠান। মাথা
নিচে থাকবে। এভাবে ১০
সেকেন্ড থাকুন

Please wait...
Tagged

Leave a Reply