ওহির সূচনা এর হাদিস সহিহ্ বুখারী হাদিস নং:৪-৫

Quran & Hadith

হাদিস ৪: মূসা ইব্ন ইসমাঈল
(রঃ) ………… ইব্ন ‘আব্বাস (রঃ)
থেকে বর্ণিত, মহান আল্লাহর
বাণীঃ ‘তাড়াতাড়ি ওহী
আয়ত্ত করার জন্য আপনার
জিহ্বা তার সাথে নাড়বেন
না’ (৭৫:১৬) এর ব্যখ্যায় তিনি
বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ওহী
নাযিলের সময় তা আয়ত্ত
করতে বেশ কষ্ট স্বীকার
করতেন এবং প্রায়ই তিনি
তাঁর উভয় ঠোঁট নাড়তেন। ইব্ন
আব্বাস (রা) বলেন, ‘আমি
তোমাকে দেখানোর জন্য
ঠোঁট দুটি নাড়ছি যেভাবে
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) নাড়তেন।’
সা’ঈদ (র) (তাঁর শাগরিদদের)
বললেন, ‘আমি ইব্ন ’আব্বাস
(রাঃ)-কে যেভাবে তাঁর
ঠোঁট দুটি নাড়তে দেখেছি,
সেভাবেই আমার ঠোঁট দুটি
নড়াচ্ছি।’ এই বলে তিনি
তাঁর ঠোঁট দুটি নাড়ালেন। এ
সম্পর্কে আল্লাহ তা’আলা
নাযিল করলেনঃ
“তাড়াতাড়ি ওহী আয়ত্ত
করার জন্য আপনি আপনার
জিহবা তার সাথে নাড়বেন
না। এর সংরক্ষণ ও পাঠ
করানোর দায়িত্ব
আমারই।” (৭৫:১৬-১৮) ইব্ন
‘আব্বাস (রাঃ) বলেন অর্থাৎ
মনোযোগ সহকারে শুনুন এবং
চুপ থাকুন। এরপর এর বিশদ
ব্যাখ্যার দায়িত্ব আমারই
(৭৫:১৯)।’ অর্থাৎ আপনি তা
পাঠ করবেন এটাও আমার
দায়িত্ব। তারপর যখন
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর কাছে
জিবরাঈল (আঃ) আসতেন, তখন
তিনি মনোযোগ সহকারে
কেবল শুনতেন। জিবরাঈল
(আঃ) চলে গেলে তিনি
যেমন পড়েছিলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ঠিক
তেমনি পড়তেন।
হাদিস ৫: আবদান (রঃ) ……… ও
বিশর ইব্ন মুহাম্মদ (রঃ) ……..
ইব্ন ‘আব্বাস (রাঃ) থেকে
বর্ণিত, তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ছিলেন
সর্বশ্রেষ্ঠ দাতা। রমযানে
তিনি আরো বেশী দানশীল
হতেন, যখন জিবরাঈল (আঃ)
তাঁর সাথে সাক্ষাৎ
করতেন। আর রমযানের প্রতি
রাতেই জিবরাঈল (আঃ) তাঁর
সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং
তাঁরা পরস্পর কুরআন
তেলওয়াত করে শোনাতেন।
নিশ্চয়ই রাসূলুল্লাহ (সাঃ)
রহমতের বাতাস থেকেও
অধিক দানশীল ছিলেন।

Please wait...

2 thoughts on “ওহির সূচনা এর হাদিস সহিহ্ বুখারী হাদিস নং:৪-৫

  1. কপি-পেস্ট।

    Please wait...
    1. Vaiya Pruve Dhakhan

      Please wait...

Leave a Reply